tamil actress photos
![]() |
| tamil actress photos |
hi how are you?
hsdgvgkjidsbfnlfblndflbd hghorg hoerh waheoghraeogh awhghaeorg
woeshgoeworgbn
oishgboihneobgn
weigpiewrjpr
আজকের পোস্টে অফ পেজ এসইও ২০২০ নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড শেয়ার করব। আপনার ব্লগের জন্য বর্তমান সময়ে কী কী অফ পেজ এসইও করতে হবে সে বিষয়ে এই পোস্ট থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন। সেই সাথে অতিতের অফ পেজ এসইও টেকনিক এবং সমসাময়িক অফ পেজ এসইও টেকনিক এর কতটুকো পার্থক্য রয়েছে সে বিষয়ে জানার পাশাপাশি আপনার ব্লগের অফ পেজ এসইও এর প্রয়োজনীয় সকল বিষয় জেনে নিয়ে ব্লগে নতুন টেকনিক এপ্লাই করতে পারবেন।
তাছাড়া অন্যান্য বাংলা ব্লগগুলোতে যে সকল অফ পেজ এসইও নিয়ে পোস্ট দেখতে পেয়েছি, তাদের সবার প্রায় একই অবস্থা। সবাই কয়েক বছর আগে পোস্ট করেছেন কিন্তু আর কখনো আপডেট করেননি। মূলত অফ পেজ এসইও এর পুরাতন পোস্ট দেখে আজকের এই পোস্ট লেখার প্রতি আমার আগ্রহ তৈরি হয়।
অফ পেজ এসইও কি?
অফ পেজ এসইও এর আরেক নাম হচ্ছে অফ সাইট এসইও। মূলত অফ পেজ এসইও এর কাজ ব্লগের বাহিরে করা হয় বিধায় এটাকে অফ পেজ এসইও বলা হয়। সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে ভালো র্যাংক পেয়ে সার্চ ইঞ্জিন হতে অগ্রানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি করার করার জন্য ওয়েবসাইটের বাহিরে যে সমস্ত এসইও এর কাজ করা হয় সেটাই অফ পেজ এসইও নামে পরিচিত। অফ পেজ এসইও এর সবচাইতে কমন কাজ হচ্ছে ব্যাকলিংক তৈরি করা, সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার করা, ওয়েবসাইট প্রচার করা এবং ওয়েবসাইটের ব্রান্ড তৈরি করা।
কেন অফ পেজ এসইও গুরুত্বপূর্ণ?
![]() |
| tamil actress photos |
অন পেজ এসইও এবং অফ পেজ এসইও এর মধ্যে পার্থক্য কি?
অন পেজ এসইও এবং অফ পেজ এসইও এর মধ্যে পার্থক্য বুঝার পূর্বে আমাদের ব্লগের অন পেজ এসইও সংক্রান্ত পোস্টটি পড়ে নিবেন। তাহলে আপনি অন পেজ এসইও সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পেয়ে যাবেন।
২০১৯ সালের পূর্বে একটি ওয়েবসাইটে যেকোন ধরনের NoFollow লিংক তৈরি করতে পারলেই গুগল সেই ওয়েবসাইটের লিংককে গুরুত্বের সহিত বিবেচনা করে র্যাংক দিয়ে দিত। কিন্তু গুগল র্যাংক ব্রেইন এলগরিদম আপডেট করার ফলে গুগল এখন NoFollow ব্যাকলিংককে কোন পাত্তাই দিচ্ছে না। সেই সাথে যে সকল DoFollow লিংক রিলেভেন্ট নয় সেগুলোকেও গুগল কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। পাশাপাশি যে সকল রিলেভেন্ট DoFollow লিংক হতে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আসে না, সেই ব্যাকলিংককেও গুগল ব্যাংকলিংক হিসেবে বিবেচনা করে না।
সে জন্য আপনি যেকোন সোশ্যাল মিডিয়ার যেকোন পেজ ও গ্রুপে পোষ্ট শেয়ার করার পূর্বে যাচাই করে নিবেন যে, আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল পড়ার মত কোন লোক সেখানে আছে কি না। এন্ড্রয়েড সংক্রান্ত একটি ফেসবুক গ্রুপে এসইও সংক্রান্ত পোস্ট শেয়ার করলে সেই পোস্ট কেউ পড়তে আসবে না। কাজেই অর্ডিয়ান্স টার্গেট করে সোশ্যাল মিডিয়াতে ওয়েবসাইটের পোস্ট শেয়ার করলে তবেই এনগেজমেন্ট পাওয়া সম্ভব এবং ওয়েবসাইটের র্যাংকিং বাড়ানো সম্ভব হবে।
ওয়েবসাইটের ব্রান্ডিং তৈরি হলে মানুষ সরাসরি আপনার ওয়েবসাইটের নাম লিখে গুগলে সার্চ করতে থাকবে। যার ফলে গুগল আপনার ওয়েবসাইটকে সবার পরিচিত নামকরা ওয়েবসাইট হিসেবে ধরে নিয়ে র্যাংকিং অনায়াসে বৃদ্ধি করবে। সাধারণত অনলাইনে ও অফলাইনে প্রচুর পরিমানে প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের ব্রান্ডিং করা সম্ভব হয়।
৬। লোকাল এসইও
লোকাল এসইও হলো কোন নির্দিষ্ট অর্ডিয়েন্সকে টার্গেট করে ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করানোর জন্য অপটিমাইজ করা। আপনার ওয়েবসাইটটি যদি কোন নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলের মানুষদের টার্গেট করে তৈরি করা হয়, তাহলে আপনাকে লোকাল এসইও এর প্রতি ফোকাস করতে হবে। কারণ বাংলা ওয়েবসাইট যেহেতু শুধুমাত্র বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষ বেশি ভিজিট করে সেহেতু আপনাকে বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষকে টার্গেট করে অফ পেজ এসইও করতে হবে।



















0 মন্তব্য(গুলি):
Post a Comment